শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাতেও সাধারণ মানুষের নিরাপদে চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান এম এ মালিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি যমুনায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন বাবার কাছ থেকে তরুণীকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতিকে শহীদ মিনারে না যাওয়ার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ২:০৯ অপরাহ্ন

জুলাই ও আগস্টে অভ্যুত্থানে গণহত্যা চলার সময় নীরবতা পালন করার অভিযোগ এনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না যাওয়ার দাবি জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে চলমান গণঅবস্থান থেকে এ দাবি জানান সংঠনের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।
আবদুল ওয়াহেদ বলেন, জুলাই ও আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই ও বোনকে হারিয়েছি। কিন্তু পুরো ঘটনার সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ করে ছিলেন। এ ছাড়া এটি কারও অজানা নয় যে তিনি শেখ হাসিনার অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ এমপিদের ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। শেখ হাসিনা পালিয়েছেন। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমপিরাও পালিয়ে গেছেন। অথচ রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি এখনো বহাল আছেন।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হলেও তিনি সরে যাননি। কিন্তু তাকে জনগণও মেনে নেয়নি। তিনি স্রেফ কায়েমি স্বার্থবাদীদের মদদে টিকে আছেন।
ক্যাম্পাসেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দাবি হলো, রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখবেন না। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন না।
১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান কর্মসূচি চলছে। ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো. ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের অনশনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে এতে সম্পৃক্ত হন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।
১৬ ফেব্রুয়ারি জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে নিহত রানা তালুকদারের পরিবার এ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান। পরে অনুরোধে অনশন ভেঙে লাগাতার গণঅবস্থান চলছে।
এ কর্মসূচিতে গণবক্তৃতা, আবৃত্তি, জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনসহ নানা আয়োজনে চলছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর