বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
পরিচালক নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের খেলা বয়কটের ঘোষণা ক্রিকেটারদের বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রসেসিং অনির্দিষ্টকাল স্থগিত ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন চাল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও ফোন নম্বর সংগ্রহ বেআইনি: নজরুল ইসলাম খান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সেনাবাহিনী প্রধান ‘অন-অ্যারাইভাল ভিসা’ বন্ধ করল সরকার নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বললো ভারত আরব আমিরাতে রাজকীয় ক্ষমা পেলেন ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দি মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৫ম দিনের আপিল শুনানি চলছে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফার চিকিৎসায় উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন নিউরোসায়েন্সে

কারওয়ান বাজারে মোবাইল ব্যবসায়ীদের অবস্থান,পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ন

কারওরান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।

আজ রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।

কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে আজ জড়ো হন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

এসময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৭টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ছোড়া হয় টিয়ার গ্যাস। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীরা।

ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‍্যাব সদস্যরাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এসময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ব্যবসায়ীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর