বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঝিনাইদহের পূজামণ্ডপে গীতা পাঠ করে ভাইরাল জামায়াত নেতা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:১৫ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে  পূজামণ্ডপে ইসলামি গান গাওয়া নিয়ে সারাদেশ আলোড়িত হওয়ার পর এবার পূজামণ্ডপে গীতা পাঠ করে ভাইরাল হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মতিয়ার রহমান। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের সূরা সদস্য তিনি।  

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজেবামনদাহ হরিতলা পালপাড়া পূজামণ্ডপে গীতা পাঠ করেন এ জামায়াত নেতা।

তার সেই গীতা পাঠের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সপ্তমিতে রাত ১০টার দিকে বাজেবামনদাহ হরিতলা পালপাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা। অন্যান্যদের বক্তব্যের পর প্রধান অতিথি অধ্যাপক মতিয়ার রহমান তার বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্যে ইসলাম ও সনাতন ধর্ম সম্পর্কে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি গীতা পাঠ করেন। সেসময় সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীরা উলুধ্বনি দেন ও শঙ্খ বাজান। গীতা পাঠ শেষে  আগামীতে নির্বাচিত হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব পালনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন অধ্যাপক মতিউর।

বাজেবামনদাহ হরিতলা পালপাড়া পূজামণ্ডপের আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি গুরুদাস বিশ্বাস বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর জামায়াতের মতিয়ার রহমানসহ আরও কয়েকজন মণ্ডপে এসেছিলেন। বক্তব্যে তিনি আমাদের ধর্ম সম্পর্কে অনেক জ্ঞান দেন। পরে গীতা থেকে একটি শ্লোক পাঠ করেন।

এ ব্যাপারে কথা বলতে অধ্যাপক মতিয়ার রহমানের মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে ‘ইসলামী সংগীত’ গাওয়ার ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা চললেও অধ্যাপক মতিয়ার রহমানের গীতা পাঠ অনেকের কাছেই প্রশংসিত হয়েছে।

বিষয়টিকে ধর্মীয় সহনশীলতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন কেউ কেউ। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির চেতনাকে আরও দৃঢ় করবে।

তবে বিপরীত চিত্রও রয়েছে। ঘটনাটি অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতর্কিত হয়েছে এবং তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করে বিষয়টি ‘বাড়াবাড়ি’ আখ্যা দিয়েছেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর