রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
গ্রাহক ও শেয়ার হোল্ডারদের আস্থা ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ ন্যাশনাল ব্যাংকের ফরিদপুরে বাসচাপায় পাঁচজন নিহত মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অবিস্মরণীয় : স্পিকার সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী সারোয়ার আলমগীরের শপথে বাধা নেই, প্রার্থিতা বহাল: হাইকোর্ট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫ আমি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না, বিএনপির সাধারণ একজন কর্মী: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অবিস্মরণীয় : স্পিকার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা জাতির ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই রেজিমেন্টের আত্মত্যাগ ও বীরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে এবং এ ইতিহাসকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।

আজ শনিবার ( ১১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সৈনিক যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকবেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের ১৮টি জেলার মধ্যে একমাত্র সিলেট জেলা শহর মুক্তিবাহিনী একক প্রচেষ্টায় দখল করেছিল এবং সেই অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি জানান, ১৫ ডিসেম্বর এমসি কলেজ এলাকায় পরিচালিত ওই অভিযানে তিনি দু’টি কোম্পানির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিনকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করেননি। তিনি বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিটি সৈনিক ও কর্মকর্তা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। পাকিস্তানিদের ‘বাঙালিরা মার্শাল রেস নয়’—এ ধারণা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী জনগণের প্রভু নয়, জনগণের সেবক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় সংকট—সব ক্ষেত্রেই সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একইভাবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান হয়তো এখনো যথাযথভাবে স্বীকৃত হয়নি, তবে একদিন দেশের ইতিহাসে জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো বীর সেনানীদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।

স্পিকার উপস্থিত সবার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গৌরবময় অবদান রেখেছে এ কথা কি আপনারা স্বীকার করেন?’ জবাবে উপস্থিত জনতা সম্মিলিতভাবে ‘হ্যাঁ’ বলে সমর্থন জানালে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খান।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর