বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের কর্মসূচি চীনের অর্থায়নে সিলেটে নির্মিত হবে হাজার শয্যার হাসপাতাল অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দল ঘোষণা, চার বছর পর ফিরলেন মোসাদ্দেক ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অপরাধীদের কোন ছাড়া নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিজয় লাভে বিশ্বনেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আইএমএফের কাছে অর্থ সহায়তার আবেদন বাংলাদেশের

হান্নান মাসউদ সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ সমন্বয়ক: রাশেদ খাঁন

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ন

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ বলে মন্তব্য করেছেন ঝিনাইদহ বিএনপির নেতা ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় রাশেদ খান উল্লেখিত দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ আবদুল গফফার জিসানের নাম উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানে হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ পতিত সরকারের সাবেক এমপিদের নিয়ে রাজধানীর একটি তারকা হোটেলে বৈঠক করেন এবং তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায় ও সুরক্ষা দেওয়ার নামে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজি করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান হাতিয়ার এমপি ও সাবেক সমন্বয়ক হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে লেখেন:

গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকতো। একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে এক প্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।

২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সাথে এই ছেলেটি ছিলো। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন।

জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সাথে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান ‘হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সাথে থাকতো। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসুদের সাথে থাকেনি।

নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিলো হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যতো আওয়ামী লীগ আছে, কারও সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সাথে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মত অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর