তিনি বলেন, ভূমি প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দুর্নীতি কমিয়ে জনগণকে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। অতীতে ভূমি অধিগ্রহণ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অভিযোগ ও অনাস্থা ছিল। বিশেষ করে দালালচক্র, অতিরিক্ত অর্থ দাবি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে মানুষ ভোগান্তিতে পড়ত। সেই চিত্র বদলাতে সরকার প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে নিজ কক্ষে ৬ষ্ঠ ও ৭ম ভূমি ব্যবস্থাপনা ফান্ডামেন্টাল কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সালেহ আহমেদ বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে ডিজিটাল পদ্ধতি আরো সম্প্রসারণ করা হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাবেন এবং হয়রানি কমবে। একইসঙ্গে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।