সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ফেসবুক ডিলিট করতে চান তুষি নরওয়ের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলের ঘটনায় মালয়েশিয়ার ক্ষোভ খসড়া প্রস্তাবে ১২শ’ কোটি ডলারের সম্পদ ছাড়ের দাবি ইরানের : রাষ্ট্রীয় টিভি ৩৬ হাজার টন ঈদ বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি ফ্রান্সে এআই খাতে ৮৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপানি প্রতিষ্ঠান সফটব্যাংক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী ‘এনসিপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওপেন সিক্রেট’-রাশেদ খাঁন আজ রাতে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৫৮৫ জন

শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার লক্ষণ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ন

কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলেও এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে। 

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো উচ্চ কোলেস্টেরল অনেক সময়ই নীরবে শরীরের ক্ষতি করে এবং সহজে ধরা পড়ে না। ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কখন এটি বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে শরীর নিজেই আগাম সতর্ক সংকেত দেয়। মুখ, চোখ বা ত্বকে দেখা দেওয়া ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো কখনো কখনো ইঙ্গিত দেয় যে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেছে।

চোখের চারপাশে হলদেটে দাগ বা ফোলা ভাব দেখা গেলে সেটি উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষণ হতে পারে। এই দাগগুলো সাধারণত ব্যথাহীন হলেও এগুলোকে অবহেলা করা ঠিক নয়। একইভাবে চোখের স্বচ্ছ অংশের চারপাশে সাদা বা ধূসর রিং দেখা গেলে সেটিও সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত, বিশেষ করে যদি কম বয়সে এটি দেখা দেয়।

এছাড়া মুখ, কনুই, হাঁটু বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে হলদেটে ছোট দানা বা ফুঁসকুড়ির মতো কিছু দেখা গেলে তা শরীরে চর্বি জমার লক্ষণ হতে পারে। ত্বকের রঙে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, যেমন হলদেটে ছোপ বা দাগ, তাও অতিরিক্ত চর্বি জমার ইঙ্গিত দেয়।

কখনো কখনো ত্বকে নীলচে বা বেগুনি জালের মতো দাগ দেখা যেতে পারে, যা রক্ত চলাচলে সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। আবার হঠাৎ করে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট লাল বা হলুদ গুটি দেখা দিলে সেটি ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে তা রক্তনালিতে জমে ব্লক তৈরি করে। এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

তাই এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে দেরি না করে রক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর