এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নেভির এক যৌথ ‘হাইব্রিড অপারেশন’-এর মাধ্যমে এই গুদামটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করছে, এই গুদামটিতে রক্ষিত উন্নত সরঞ্জামগুলো মার্কিন বাহিনীকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল।
মুখপাত্রের দাবি, হামলার সময় দুবাইয়ের ওই অবস্থানে অন্তত ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার পর সেখানে উপস্থিত ইউক্রেনীয় বাহিনীর সদস্যদের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই নিহত হয়েছেন।
একই সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। সেখানে তারা ‘ভারী ক্ষয়ক্ষতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর কোনো উসকানি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।-সূত্র: তাসনিম নিউজ