সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
‘বাংলা নববর্ষে যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে প্রস্তুত র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স’-র‍্যাব মহাপরিচালক ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকিকে ‘অত্যন্ত হাস্যকর’ বললেন ইরানের নৌ প্রধান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে: জাতিসংঘ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমাল সরকার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধে সায় নেই যুক্তরাজ্যের: স্টারমার ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি অবরোধের নির্দেশ ট্রাম্পের ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের জামিন নামঞ্জুর তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইও’র সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না: জামায়াতে ইসলামীর আমির

৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘আফটার শক’ স্বাভাবিক, গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

দেশে সাম্প্রতিক কয়েকবার ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক তৈরি হলেও সাধারণ জনগণকে স্বস্তিতে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মমিনুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, পরপর ছোট কম্পনগুলো মূলত ‘আফটার শক’ যা প্রধান কম্পন বা ‘মেইন শকের’ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মেইন শকের ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এমন ছোট কম্পন অনুভূত হতে পারে, তবে আপাতত বড় ভূমিকম্পের কোনো ঝুঁকি নেই।

পরিচালক মমিনুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘গত পরশুদিনের কম্পনকে আমরা মেইন শক হিসেবে মনে করি। একটি বড় ভূমিকম্পের আগে প্রি-শক এবং পরে আফটার শক হয়ে থাকে। গতকাল যে ছোট ছোট কম্পনগুলো অনুভূত হয়েছে, তা হলো আফটার শক। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। একটি ইভেন্টের পর ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এই ধরনের কম্পন হতে পারে।

নরসিংদী ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন স্থানে পরপর কম্পনের পর মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। এর সঙ্গে কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, ‘দুই ঘণ্টার মধ্যে বড় ভূমিকম্প হবে’, যা জনমনে আরও ভীতি তৈরি করে। তবে বিএমডির পরিচালক এই গুজবকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। যে কিছু হচ্ছে, তা কেবল আফটার শক। এগুলো সবসময় মূল শকের চেয়ে ছোট হয় এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি হয়েছে, আর নতুন কম্পন নাও হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে, যা ভূমিকম্পের ঝুঁকি সর্বদা বজায় রাখে। এই প্লেটগুলো হলো—ইউরেশিয়ান প্লেট (উত্তর-পশ্চিমে), ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বাংলাদেশের ওপর) এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেট (পূর্বে)। যে কোনো বড় ভূমিকম্প সাধারণত প্লেট বাউন্ডারি বা ফল্ট লাইনের আশেপাশে হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক কম্পনগুলো সরাসরি প্লেট বাউন্ডারিতে না হলেও সম্ভবত মূল ফল্ট লাইনের সাবফল্ট হিসেবে এসেছে।

পরিচালক জনগণকে শান্ত থাকার এবং বিএমডির নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যেহেতু একটি ৫.৭ মাত্রার কম্পন ভূখণ্ড অ্যাবজর্ব করতে পেরেছে, তাই ৩ বা ৪ মাত্রার আফটার শক নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আফটার শক সাধারণত মূল শকের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। গুজবে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলুন।’-সূত্র: ঢাকা পোস্ট

 


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর