বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সামাজিক দায়বদ্ধতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো আর পি সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগ গভর্নরের উপদেষ্টাকে ‘জোরপূর্বক’ কার্যালয় থেকে বের করে দিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক এর কর্মকর্তারা মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির আগামীকাল বালাগঞ্জ বাজারের সঙ্গে মৌলভীবাজারের যোগাযোগ সহজ করতে ফেরি সার্ভিস চালু হবে: এম এ মালিক ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার শঙ্কায় নাগরিকদের দেশ ছাড়তে বলছে বিভিন্ন দেশ মধ্যপ্রাচ্যে ভারতের অগ্রাধিকার যাচাইয়ে ইসরায়েল সফরে মোদি বিটিভিকে জনগণের প্রচারমাধ্যম করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালের আইনজীবী সমিতির সভাপতি গ্রেপ্তার ৪৪তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে ৩২৬ কর্মকর্তার প্রভাষক পদে পদায়ন জামায়াত আমিরের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ টাকা দরে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪, ৫:৪৩ অপরাহ্ন

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ১ মার্চ থেকেই লিফটিং করতে বলেছি। ১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত আমাদের একটি সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা কমিয়ে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন খাদ্য বিতরণ শেষ করা হবে।

এতে বাজারে স্বস্তি ফিরবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেড় লাখ টন চাল যদি বাজারে ১৫ টাকা দরে যায়, তাহলে ৫০ লাখ পরিবারকে তো আর বাজার থেকে চাল কিনতে হবে না। এতে স্বস্তি আসবে বলে মনে করি।

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা থাকার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সাধন চন্দ্র বলেন, আমরা ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিপত্র জারি করব বলেছিলাম আর কার্যকর করব ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে। কারণ যেসব চাল এখন বাজারে বস্তাবন্দি আছে এবং সিল মারা আছে, সেগুলো এখন আর কেউ প্যাকেট চেঞ্জ করবে না। কাজেই নতুন বছরে বোরো চাল উঠবে, তখন থেকে এটা কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।

ডিসিদের কাছে হালনাগাদ তথ্য আছে কি না, জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি-মিল মালিকদের সঙ্গে মিটিং শুরু হয়েছে। ধান ও চালের জাতের যে নমুনা, সেটা তাদেরও সরবরাহ করা হচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সে জাতগুলো দিয়েছে, আউশ, আমন ও বোরোতে কোন কোন জাত, কোনটা মোটা, মাঝারি ও সরু সেই জাত দিয়েছে, সেটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করছি। এ ছাড়া মজুতবিরোধী অভিযান অনেকাংশেই সফল হয়েছে। ডিসিদের কাছে আবেদন জানিয়েছি, নির্দেশনা দিয়েছি যাতে বস্তার গায়ে জাতের নাম লেখা নিয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, সেটা বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর