শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাতেও সাধারণ মানুষের নিরাপদে চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান এম এ মালিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি যমুনায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন বাবার কাছ থেকে তরুণীকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিসর বাড়ানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫, ১:৩৯ পূর্বাহ্ন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে গবেষণার পরিসর আরো সম্প্রসারণ এবং গবেষণালব্ধ অর্জিত জ্ঞান দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বায়ন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উদ্ভাবনের জন্য কাজ করতে, গবেষণার পরিসর বাড়াতে এবং গবেষণায় অর্জিত জ্ঞান দেশ ও জনগণের কল্যাণে প্রয়োগ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার এক বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস এ কথা বলেন। মঙ্গলবার( ১ জুলাই) দিনটি উদ্‌যাপন করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সততা ও নৈতিকতা সমুন্নত রেখে অর্জিত জ্ঞানের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যাশিত অবদান রাখবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ড. ইউনূস বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য—শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার প্রসারে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। আমাদের রাজনৈতিক, সামাজিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জাগরণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই অভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্যায় ও নিপীড়নের শৃঙ্খল ভেঙে এখন আমরা বৈষম্যহীন ‘নতুন বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।’

দেশকে নতুনভাবে পুনর্গঠনের জন্য গভীর দেশপ্রেম, মানবিকতা ও উদার মানসিকতা সম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক ইউনূস।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই প্রেক্ষাপটে আমি মনে করি, এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য—‘বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’—একটি সময়োপযোগী চিন্তা।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি ।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর