মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি) ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হিসেবে এখনও স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।
১৯১৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর, একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলাধীন দয়ামীর গ্রামে। তার পিতার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ও মাতা জোবেদা খাতুন।
১৯৩৯ সালে জুলাইয়ে, ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৪১ সালে ১৭ই ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে ১৯৪২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন তিনি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি হয়েছিলেন একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।
এম এ জি ওসমানী, ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদফতরে জেনারেল স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয় তাকে। এরপর ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে এম এ জি ওসমানীকে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ডেপুটি ডাইরেক্টরের দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
জেনারেল এম এ জি ওসমানী শুধুমাত্র একজন সেনাপ্রধানই ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সেনাপতিরূপে এক অনুপ্রেরণা। ১৯৮৪ সালের আজকের দিনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।