বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি) ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হিসেবে এখনও স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি। 

১৯১৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর, একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলাধীন দয়ামীর গ্রামে। তার পিতার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ও মাতা জোবেদা খাতুন।

১৯৩৯ সালে জুলাইয়ে, ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।

১৯৪১ সালে ১৭ই ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে ১৯৪২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন তিনি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি হয়েছিলেন একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

এম এ জি ওসমানী, ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদফতরে জেনারেল স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয় তাকে। এরপর ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে এম এ জি ওসমানীকে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ডেপুটি ডাইরেক্টরের দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।

জেনারেল এম এ জি ওসমানী শুধুমাত্র একজন সেনাপ্রধানই ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সেনাপতিরূপে এক অনুপ্রেরণা। ১৯৮৪ সালের আজকের দিনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর