দৈনিক সময়ের আলোর উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে পত্রিকাটির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাহনেওয়াজ করিমসহ সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ফুল দিয়ে উপদেষ্টা সম্পাদককে স্বাগত জানান।
এর আগে দুপুরে ধানমন্ডিতে আমিন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রমজানুল হক নিহাদ শায়রুল কবির খানের হাতে নতুন দায়িত্ব প্রদান করেন।
এ সময় আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ তানভীরুল ইসলাম, সময়ের আলোর প্রকাশক ফয়সাল আরা ফেরদৌস, সময়ের আলোর চিফ অপারেটিং অফিসার মুনিফ আম্মার, চিফ বিজনেস অফিসার এহসানুল হাবীব সাদী নতুন উপদেষ্টা সম্পাদককে স্বাগত জানান।
নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে জন্ম নেওয়া শায়রুল কবির খানের পৈতৃক নিবাস আটপাড়া উপজেলার একটি ঐতিহাসিক গ্রামে। তার বাবা আব্দুর রহিম খান। তিনি মুঘল সেনাপতি ঈসা খাঁর বংশোদ্ভূত আছালত খাঁর নবম বংশধর। শৈশবে ‘স্বল্প শুনই’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষার হাতেখড়ি এবং বানিয়াজান সিটি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন।
নেত্রকোনার আবু আব্বাস কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শেষে শায়রুল কবির খান সাংবাদিকতা শুরু করেন দৈনিক দিনকালের মাধ্যমে। প্রথমে আটপাড়া ও পরে নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে তৃণমূল সাংবাদিকতায় কাজ করার পাশাপাশি তিনি নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী আদর্শের কর্মী হিসেবে শায়রুল কবির খান কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। তিনি চেয়ারম্যানের মিডিয়া সেল এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য ছিলেন।
বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইনে নিয়মিত লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে প্রবন্ধ লিখেছেন শায়রুল কবির খান।
মুক্তিযুদ্ধের ওপরে তার পরিকল্পনা ও পরিচালনায় একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয় যার মোড়ক উন্মোচন করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শায়রুল কবির খান বলেন, আমি সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে নিজেকে সক্রিয় রাখতে চাই। সেজন্য আমার এই পত্রিকায় যোগ দেওয়া। আমার প্রত্যাশা, বাংলাদেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে সামনের দিকে এড়িয়ে নেওয়ার যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে তা থেকে দেশের জনগণ উপকৃত হবে, গণমাধ্যম উপকৃত হবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। সুস্থধারার সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে দৈনিক সময়ের আলোও যাবে বলে আমার প্রত্যাশা।