মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে না পারার কারণ জানতে তদন্ত কমিটি করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে মানবিক সহায়তা দেবে চীন চীন সবসময় বন্ধুর পরিচয় দিয়েই চলেছে: জামায়াত আমির ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল মৃত্যুর আগে মুসলিম বিশ্বের প্রতি যে বার্তা দিয়েছিলেন লারিজানি ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি হত্যাকে ‘কৌশলগত সাফল্য’ হিসেবে দেখছে ইসরায়েল ঈদের দিন বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন মহানগরী হিসেবে গড়তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অল্পের জন্য ‘প্রাণে বেঁচেছেন’ মোজতবা খামেনি-দ্য টেলিগ্রাফ বেশি ভাড়া নিলে আমাদের জানান, ব্যবস্থা নেবো: আইজিপি আলী হোসেন

চীন সবসময় বন্ধুর পরিচয় দিয়েই চলেছে: জামায়াত আমির

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই, বাংলাদেশ থেকে সব কিছু নিয়েই, তারা যখন তখন হস্তক্ষেপ করেন। কিন্তু চীন করে না। চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়েই চলেছে। 

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মিরপুর-১০ নম্বরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থদের মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি, অতীতের চেয়েও আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রিয় বন্ধুরাষ্ট্র চীন আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।

জামায়াত আমির বলেন, চীনের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদীর্ঘ ৫০ বছরের। ১৯৭৬ সালে চীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং তখন থেকে শুরু করে চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার। চীনের অংশীদারত্বে বাংলাদেশে অনেক বড় বড় নিদর্শন গড়ে উঠেছে।

‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের (বাংলাদেশ ও চীন) এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।’ চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘একটা দেশ ভালোবাসার জায়গা থেকে আমাদেরকে উপহার দিয়েছে, আর তাদের নাম-নিশানাই মিটিয়ে দেওয়া হলো!’

তিনি আরও বলেন, শুধু এ ক্ষেত্রে তারা এটা করেননি, সারা বাংলাদেশকেই তারা এভাবে দখল করে নিয়েছে। আল্লাহতায়ালা চব্বিশ দিয়ে বাংলাদেশকে দখলমুক্ত করেছেন।

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের কান্না—উত্তরাঞ্চলের কান্না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এই কান্নার অবসান চাই। অতীতে এটা (তিস্তা প্রকল্প) কেন বাস্তবায়ন হয় নাই, এটা সবাই বোঝে। শিশুও বোঝে। আমরা ওই লিগ্যাসি আর বহন করতে চাই না। আমরা এই অপসংস্কৃতি থেকে বের হয়ে জানিয়ে দিতে চাই, আমরাও স্বাধীন দেশের নাগরিক, আমাদের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি আছে।

‘আমরা এই প্রকল্পকে শুধু সাপোর্ট করব না, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে যদি আমাদের কিছু করার থাকে সেটাও করব। কারণ আমরা দেশের কল্যাণ চাই, মানুষের কল্যাণ চাই,’ যোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশের বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য হল নির্মাণে চীনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান জামায়াত আমির। বলেন, এগুলোই তো বন্ধুত্বের নিদর্শন। তারা কথায় চিড়া ভিজাতে চান না। তারা দুধ দিয়ে চিড়া ভিজিয়ে দেখিয়েছেন, চিড়া এইভাবে ভিজাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করব, আমাদের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্র এভাবে এগিয়ে আসবে এবং যার যার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করবে কে আমাদের সত্যিকারের বন্ধু।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর