শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

জাতীয় নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । 

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আজীবন লড়াই করেছেন। কারাবরণ করেছেন। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত অসুস্থ থাকলেও তিনি দেশ ছাড়েননি। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যখন তার অভিভাবকত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, ঠিক সেই সময় তার চলে যাওয়া মানুষকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।

ছারছীনা দরবার শরিফের পীর সাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশনেত্রীর নামাজে জানাজায় তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশের জনগণ সমবেত হয়েছে। চোখের পানি ফেলেছে। একই সঙ্গে তারা এই আশা নিয়ে ফিরে গেছে যে তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে কর্তব্য জনগণের ওপর এসেছে, তা তারা পালন করবে।

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান ও রেখে যাওয়া দায়িত্ব প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নিঃসন্দেহে তিনি যে অবস্থান তৈরি করে গেছেন, সেখানে যেমন তার পুত্র তারেক রহমানের দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীরও দায়িত্ব রয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে জাতীয়তাবাদের দর্শন দিয়ে গেছেন, খালেদা জিয়া সেই পতাকাকে তুলে ধরেছিলেন এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পতাকাও তিনি তুলে ধরেছিলেন।

তিনি বলেন, একইভাবে তারেক রহমান সাহেবও সেই পতাকা হাতে নিয়ে জনগণকে সঙ্গে করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, তাকে সুসংহত করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবেন। এটিই মানুষের প্রত্যাশা।

আগামী নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির ফলে সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী নির্বাচনে ম্যাডাম না থাকলেও তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের যে ভালোবাসা ও আবেগ তৈরি হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

খালেদা জিয়ার কুলখানি ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছারছীন দরবার শরিফের পীর সাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন, মীর্জা নুরুর রহমান, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ’র নায়েবে আমির ড. সৈয়দ শারাফত আলী, একই সংগঠনের নাযেমে আলা মির্জা শোয়েবুর রহমান ও মাওলানা হেমায়েত বিন তৈয়ব।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর