২০২৫ এর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চিঠি পাওয়ার পর তফসিল ঠিক করা হবে। তফসিল ঘোষণা হবে নির্বাচনের দুই মাস আগে।
আজ বুধবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি রয়েছে। যত কঠিন সময় আসুক না কেন সব কিছু ঠিক থাকবে। চিঠি পাইনি সরকারের তরফ থেকে। তবে চিঠি না পেলেও প্রস্তুতি আছে কমিশনের। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই ভোট হবে।
সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা চেয়ে তিনি আরও বলেন, কমিশনের দায়িত্ব হবে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ঠিক রাখা। নির্বাচনকে আয়নার মতো পরিষ্কার করতে চায় ইসি। বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় নির্বাচন কমিশনের চেষ্টা এবং আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিলো না।
ইসি নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ম্যাসিভ অ্যাওয়ারনেসের মাধ্যমে ভোটের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে ইসি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে, ভোট আসতে আসতে আরও উন্নতি হবে। আমার বড় চিন্তা এআইয়ের অপব্যবহার।
সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, কারো চেহারা দেখে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ হবে না।
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিয়ে তিনি বলেন, যারা একেবারেই শর্ত পূরণ করতে পারেনি তাদের চিঠি দেয়ার কোনো প্রয়োজন বোধ করে না কমিশন। তবে যাদের কাগজপত্র ঠিক থাকবে তাদের মাঠ পর্যায়ে যাচাই বাছাই করা হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন হবে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের ব্যাপারে তিনি বলেন, দলটির সবধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। তাদের বিচারকার্য চলমান থাকায় বিচারের পর মূল সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।