আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধসহ তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে ‘শাহবাগ ব্লকেড’ কর্মসূচি। শাহবাগ মোড় থেকে সড়কগুলো বন্ধ থাকলেও অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনগুলোকে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
আজ শনিবার (১০ মে) সকাল থেকে শাহবাগে আবারও জড়ো হচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বিকাল ৩টায় আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগে গণজমায়েতের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সারা দেশের জুলাই অভ্যুত্থানের স্থানগুলোতেও গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ঢাকার শাহবাগ ছাড়া সারা দেশের মহাসড়কগুলোতে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি না দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ঢাকার শাহবাগ ছাড়া ঢাকা বা সারা দেশের হাইওয়েগুলোতে ব্লকেড দেবেন না। জেলাগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত জমায়েত করুন, সমাবেশ করুন। কিন্তু ব্লকেড না। ব্লকেড খুলে দিন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ মে) দিবাগত রাত থেকে এই দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এই দাবি নিয়ে অবস্থান নেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এনসিপির পাশাপাশি হেফাজতে ইসলাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন। সকালে জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কয়েকটি দল এতে যোগ দেয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দেন, জুমার পর যমুনার পূর্ব পাশে বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ চলবে। ইসলামপন্থী বিভিন্ন দলের নেতারাও এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন। পাঁচটি পিকআপ ভ্যান জোড়ায় মঞ্চ তৈরি হয়। জুমার পর সেখানে বড় জমায়েত হয় এবং শেষে হাসনাত শাহবাগ অবরোধের ঘোণা দেন।