সাধারণত কোনো খেলোয়াড় অবসরে যাওয়ার পর বা ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পর এমন সম্মাননা দেওয়া হয়। তবে ৩৮ বছর বয়সী মেসির ক্ষেত্রে সেই প্রথা ভেঙেছে মায়ামি কর্তৃপক্ষ। মাঠের লড়াইয়ে সক্রিয় থাকাবস্থাতেই নিজের নামে গ্যালারির সামনে খেলার এক বিরল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে যাচ্ছেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।
ব্যতিক্রমী এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানায়, ‘ঐতিহ্যগতভাবে সম্মাননা দেওয়া হয় অতীত বা নস্টালজিয়াকে মাথায় রেখে। কিন্তু আমাদের এই সিদ্ধান্তটি বর্তমানকে ঘিরে। প্রতিবার লিও যখন মাঠে নামে, আমরা যা অনুভব করি-এটি তারই বহিঃপ্রকাশ। কাউকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ সবসময় কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি টানা নয়; বরং আপনি যে অনন্য কিছুর সাক্ষী হচ্ছেন, সেটি উপলব্ধি করা।’
স্টেডিয়ামের লোয়ার বোলের ১১৭-১২১ নম্বর সেকশন এবং আপার বোলের ২১৭-২৩৩ নম্বর সেকশন নিয়ে গঠিত হবে এই বিশেষ স্ট্যান্ড। আগামী ৪ এপ্রিল মেজর লিগ সকারে অস্টিন এফসির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নতুন এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’-এ বসে খেলা দেখা দর্শকদের জন্য বিশেষ চমক ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার ব্যবস্থা রেখেছে মায়ামি কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, নিজের নামে স্ট্যান্ড পাওয়ার অভিজ্ঞতা মেসির জন্য এটাই প্রথম নয়। এর আগে, ২০২৩ সালের জুনে তাঁর শৈশবের ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজও তাদের স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করেছিল এই খুদে জাদুকরের নামে।