শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি বিসিবির অ্যাডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট যুক্তরাষ্ট্রে জালিয়াতির মামলা নিষ্পত্তিতে ১৮ মিলিয়ন ডলার দিতে সম্মত হলেন আদানি দেশের ঋণাত্মক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বাংলাদেশের জনগনের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি হতে হবে রাত ১২টার পর খাবার খেলে শরীরে যা ঘটে! হামে শত শত শিশু মৃত্যুর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দায়ী কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী স্বপন

৭.৬২ বুলেট নিয়ে আমার ইচ্ছে ছিল ইনকোয়ারি করা: সাবেক উপদেষ্টা সাখাওয়াত

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ন

৭.৬২ বুলেট নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আমার ইচ্ছে ছিল ৭.৬২ বুলেট নিয়ে ইনকোয়ারি করা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

২৪এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও তখনো দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সে সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান এম সাখাওয়াত হোসেন। যদিও বিভিন্ন কারণে পরবর্তীকালে তাকে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সে সময়কার দিনগুলোর কথা স্মরণ করে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি গিয়েছিলাম আনসারদের দেখতে। তাদেরকে গুলি মেরেছে। সে সময় আমি কতগুলো ভিডিও দেখলাম- লুঙ্গি পরা, গেঞ্জি পরা, হেলমেট লাগানো, হাতে পুলিশের রাইফেল। তার মানে পুলিশের কাছে ৭.৬২ চাইনিজ রাইফেল টাইপ-৩৯। অর্থাৎ বুলেটটি হচ্ছে ৩৯। এটি হচ্ছে একটি খুবই মারনাত্মক অস্ত্র। যেটা সাধারণত সমরাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটাকে আমরা বলি পরিমিটেড বোম্ব।

তিনি আরও বলেন, পুলিশকে এই রাইফেলগুলো দেওয়া হয়েছে। কবে দেওয়া হয়েছে। আমি ঠিক জানি না। আমার ইচ্ছে ছিল এটা নিয়ে একটি ইনকোয়ারি করতে। যে এই রাইফেল তো পুলিশের পাওয়ার কথা নয়। এই রাইফেলগুলো পুলিশকে দেওয়া হলো কখন? কি কারণে? কেন?

ইনকোয়ারি করতে পেরেছিলেন কিনা জানতে চাইলে প্রতিবেদককে তিনি বলেন, না আমিতো পরে ছিলামই না। তো ইনকোয়ারি করবো কোথা থেকে। ওই প্রসঙ্গে আমি বলেছিলাম- এই রাইফেলগুলো বা এই অ্যামুনেশন পুলিশের হাত থেকে সাধারণ মানুষের কাছে কিভাবে গিয়েছে? এর পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি।

এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, আমার কাছে এমনও ছবি আছে যে সন্দেহজনক যে এরা কারা? এদের গঠন আমাদের মতো না; আমি বহিরাগত শব্দটা ব্যবহার করেছি। আমাদের দেশে স্নাইপার আছে- পুলিশের আছে, সেনাবাহিনীরও আছে। কিন্তু এতো অহরহ এতো ট্রেইন্ড স্নাইপার!

তিনি আরও বলেন, কয়েকজনকে তো আমরা দেখলাম যে- একদম হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের চেহারা-গঠনতো আমাদের মতন না।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর