গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।
২৪এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও তখনো দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সে সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান এম সাখাওয়াত হোসেন। যদিও বিভিন্ন কারণে পরবর্তীকালে তাকে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সে সময়কার দিনগুলোর কথা স্মরণ করে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি গিয়েছিলাম আনসারদের দেখতে। তাদেরকে গুলি মেরেছে। সে সময় আমি কতগুলো ভিডিও দেখলাম- লুঙ্গি পরা, গেঞ্জি পরা, হেলমেট লাগানো, হাতে পুলিশের রাইফেল। তার মানে পুলিশের কাছে ৭.৬২ চাইনিজ রাইফেল টাইপ-৩৯। অর্থাৎ বুলেটটি হচ্ছে ৩৯। এটি হচ্ছে একটি খুবই মারনাত্মক অস্ত্র। যেটা সাধারণত সমরাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটাকে আমরা বলি পরিমিটেড বোম্ব।
তিনি আরও বলেন, পুলিশকে এই রাইফেলগুলো দেওয়া হয়েছে। কবে দেওয়া হয়েছে। আমি ঠিক জানি না। আমার ইচ্ছে ছিল এটা নিয়ে একটি ইনকোয়ারি করতে। যে এই রাইফেল তো পুলিশের পাওয়ার কথা নয়। এই রাইফেলগুলো পুলিশকে দেওয়া হলো কখন? কি কারণে? কেন?
এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, আমার কাছে এমনও ছবি আছে যে সন্দেহজনক যে এরা কারা? এদের গঠন আমাদের মতো না; আমি বহিরাগত শব্দটা ব্যবহার করেছি। আমাদের দেশে স্নাইপার আছে- পুলিশের আছে, সেনাবাহিনীরও আছে। কিন্তু এতো অহরহ এতো ট্রেইন্ড স্নাইপার!
তিনি আরও বলেন, কয়েকজনকে তো আমরা দেখলাম যে- একদম হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের চেহারা-গঠনতো আমাদের মতন না।