নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে দিনরাত কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
আজ রোববার ( ১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর কড়াইল বস্তি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি, যেন জনগণ কিছুটা স্বস্তিতে থাকতে পারে। আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি এবং কাজের ফলাফল দৃশ্যমান করতে বদ্ধপরিকর।’
মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, ডিএনসিসির অধীনে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিয়মিত নজরদারি ও সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই নগরবাসী এর সুফল দেখতে পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ডিএনসিসি কাজ করে যাচ্ছে। রাস্তাঘাট সংস্কার, লেকসমূহের সুরক্ষা এবং বাসযোগ্য নগর পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণ যে আশা ও বিশ্বাস থেকে ভোট দিয়েছেন, সেই প্রত্যাশা পূরণে তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, ফ্যামেলি কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে কড়াইল বস্তি এলাকায় তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। যোগ্য ব্যক্তিরা বিনামূল্যে ফ্যামেলি কার্ড পাবেন এবং সরাসরি তাদের হিসাবে অর্থ প্রেরণ করা হবে। এ বিষয়ে কাউকে কোনো ধরনের ঘুষ না দেওয়ার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, এলাকার লেক ও ফুটপাতসমূহ ঘুরে দেখা হচ্ছে এবং ধাপে ধাপে মশামুক্ত পরিবেশ ও দখলমুক্ত ফুটপাত নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ সানি, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসির বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।