সরকারি ভবনগুলোর ছাদে সৌরশক্তি স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করার সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ পূর্ব পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নির্দেশিকাগুলোর উপর আলোকপাত করে সিপিডি বলেছে যে, এটি বাংলাদেশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।
রোববার (২৭ জুলাই) সিপিডি তাদের কার্যালয়ে ‘জাতীয় ছাদ সৌরশক্তি কর্মসূচি: এর নকশা, বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় এ অভিমত ব্যক্ত করেছে।
সিপিডি এবং বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতি (বিএসআরইএ) যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন এবং সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাশিয়াত প্রিয়তি এবং বিএসআরইএ সদস্য মো. নাসির উদ্দিন উপস্থাপনা করেন।
হেলেন মাশিয়াত প্রিয়তি তার উপস্থাপনায় বলেন, কর্মসূচিটি পুরোদমে চালানোর পরিবর্তে নির্বাচিত এলাকাগুলোর জন্য পাইলট প্রকল্প দিয়ে শুরু করা উচিত।
তিনি বলেন, বিকিরণের প্রভাব, বিভিন্ন বিভাগে অর্থায়নের সম্ভাবনা, গ্রিড প্রস্তুতি, প্রধান প্রধান লোডশেডিং এলাকা এবং আরইবি সমিতির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে পাইলট প্রকল্পের নমুনা নির্বাচন করা উচিত।
নতুন কর্মসূচিকে পূর্ববর্তী কর্মসূচির ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং একই নীতির পুনরাবৃত্তি করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ছাদ সৌর কর্মসূচির সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য, প্রতিটি স্থাপনার ছায়া বিশ্লেষণসহ ছাদ ও কাঠামোগত মূল্যায়ন, সৌর বিকিরণ এবং টিল্ট অপ্টিমাইজেশন এবং স্থান ভিত্তিক সরঞ্জাম নির্বাচন এবং একটি বিস্তৃত সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের প্রাক্তন পরিচালক খোন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত এবং জিওসোলার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নাজনীন আখতার।