তদন্ত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অভিযুক্তরা এমন কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছেন যেখানে বাস্তব ফুটেজের সঙ্গে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে হামলা প্রতিহত করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। এছাড়া কিছু ভিডিওতে মাটিতে পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বা ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়া মানুষের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, কয়েকটি ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এসব ভিডিওতে আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে—এমন ভুয়া ধারণা দেওয়া হয়।
এছাড়া কিছু ভিডিওতে শিশুদের ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আবার বিদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে আমিরাতের ঘটনা বলে প্রচার করার অভিযোগও রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাদের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এ ধরনের অপরাধের জন্য অন্তত এক বছরের কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে এক লাখ দিরহাম জরিমানার বিধান রয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও সতর্ক করে বলেন, ভুয়া তথ্য বা বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি থাকবে।