এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় রাশেদ খান উল্লেখিত দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ আবদুল গফফার জিসানের নাম উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানে হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ পতিত সরকারের সাবেক এমপিদের নিয়ে রাজধানীর একটি তারকা হোটেলে বৈঠক করেন এবং তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায় ও সুরক্ষা দেওয়ার নামে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজি করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান হাতিয়ার এমপি ও সাবেক সমন্বয়ক হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে লেখেন:
২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সাথে এই ছেলেটি ছিলো। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন।
জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সাথে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান ‘হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সাথে থাকতো। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসুদের সাথে থাকেনি।
নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিলো হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যতো আওয়ামী লীগ আছে, কারও সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সাথে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মত অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।