সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি আবুল কালাম কবি ও সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারকে চেয়ারম্যান করে বাসস পরিচালনা বোর্ড গঠন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ২০২৭ এর ২১ জানুয়ারি সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের নীতিগত মিল রয়েছে: ড. তিতুমীর উপাচার্যকে ভেতরে রেখে ভবনে তালা দিলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি: আটক ৪ জন রাষ্ট্রবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার

মহাসমাবেশে বক্তব্যে নারীদের বিষয়ে ‘আপত্তিকর’ শব্দচয়ন, হেফাজতে ইসলামের দুঃখপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ৬:১৪ অপরাহ্ন

গত ৩ মে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে দুই বক্তা তাদের বক্তব্যে ‘আপত্তিকর’ শব্দচয়ন করায় দুঃখপ্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 

আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সংগঠনের পক্ষে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে আজিজুল হক ইসলামাবাদী জানান, নারীদের বিষয়ে, একই সঙ্গে ইসলাম সম্পর্কেও কোনো আপত্তিকর শব্দ হেফাজত সমর্থন করে না।

আজিজুল হক আরও বলেন, আমাদের মহাসমাবেশে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুই বক্তা আপত্তিকর শব্দচয়ন করেছেন, যা আমরা সমর্থন করি না। কেউ এতে আহত হলে তাদের প্রতিও আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি।

‘একইসঙ্গে সেক্যুলার প্রগতিশীল ঘরানার যারা এতকাল আলেম-ওলামাকে বিদ্বেষমূলকভাবে “জঙ্গি”, “মৌলবাদী”, “ধর্মব্যবসায়ী” ও “সাম্প্রদায়িক” বলে কটাক্ষ করে এসেছেন, তাদেরকেও আমরা এ ধরনের আপত্তিকর শব্দচয়ন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই,’— বলেন তিনি।

হেফাজতের এ নেতা বলেন, ‘নারীর প্রতি আমাদের ঘৃণার প্রশ্নই আসে না। মতাদর্শিক লড়াইকে “নারীর প্রতি ঘৃণা” আকারে দেখা মূর্খতা। আমরা আবারও বলছি, যার যার ধর্মীয় বিধান অনুসারে নারীর ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরাও সংস্কারকাজে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী। কিন্তু শুরুতেই আলেম-ওলামা ও অন্যান্য ধর্মীয় বিশেষজ্ঞকে বাদ দিয়ে একদল এনজিওবাজ নারীবাদীকে নিয়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠন করা হলো। যার ফলে এমন একচেটিয়া প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সেক্যুলার প্রগতিশীল নারীসমাজের স্বার্থ ও মতাদর্শ রক্ষিত হলেও ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর নারীসমাজের ধর্মীয় চিন্তা ও বিবেচনা উপেক্ষিত হয়েছে। এই বৈষম্য মেনে নেয়ার সুযোগ নেই।’

এতে আরও বলা হয়, ‘উগ্র ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠী কর্তৃক আমাদের “নারীবিদ্বেষী” অপবাদ দেয়ার অপরাজনীতি বহু পুরনো। অথচ দেশজুড়ে আমাদের মহিলা কওমি মাদরাসাগুলোতে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি বরাদ্দমুক্ত এসব মাদরাসায় সমাজের হাজার হাজার প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের জন্যও বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে এ দেশের নারীদের স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে আমাদেরও উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’

‘আলেম-ওলামার সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি দেয়া হয় না’ উল্লেখ করে আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, ‘আমাদের এই সামাজিক ভূমিকা ও ধর্মীয় অবস্থান আধুনিক ব্যবস্থায় এদেশের নারীকে “পণ্য” বানানোর পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নের অন্তরায় বলেই সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী আমাদের বিরুদ্ধে একদল উগ্র নারীবাদীকে লেলিয়ে দিয়েছে বলে আমরা মনে করি। কিন্তু ধর্মীয় ইস্যুতে বাড়াবাড়ি করলে আমরা ছাড় দেবো না।’


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর