পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে নৌপথে পণ্য ও কোরবানীর পশু পরিবহনে নিরাপত্তায় ও ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আন্তরিকতার সাথে নৌ পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি কুসুম দেওয়ান।
আজ সোমবার (১২ মে) নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
সভার শুরুতেই নৌ পুলিশের পক্ষ হতে নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত, পণ্য ও পশুবাহী পরিবহনের নিরাপত্তায় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌঘাট ব্যবস্থাপনা, লঞ্চ/নৌযান, স্পীডবোট ও বাল্কহেড চলাচল, চাঁদাবাজি প্রতিরোধে করণীয়সহ নদী তীরবর্তী কোরবানীর পশুরহাট, পশুর চামড়া পরিবহন সংক্রান্ত ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিত প্রতিনিধি ও অনলাইনে সংযুক্ত নৌ পুলিশের বিভিন্ন অঞ্চলের পুলিশ সুপারবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা হয়।
সভায় বক্তারা গত ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে নৌপথে নৌ পুলিশের তৎপরতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় নিরাপদ নৌপথ সংক্রান্তে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় নৌপথ ব্যবহারকারী ঘরমুখো মানুষের যাত্রা এবং পণ্যবাহী পশু পরিবহন সহজ ও নিরাপদ করতে সরকারি সিদ্ধান্ত সমূহ বাস্তবায়নে নৌ পুলিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখযোগ্য হলো- লঞ্চ/নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনে বিরত থাকা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নৌযান চালানো, চাঁদাবাজি, চুরিসহ যেকোন হয়রানি বন্ধে বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করা, নৌপথে টহল জোরদার করা, নির্ধারিত মূল্যে ভাড়া আদায়ে তদারকি, টার্মিনাল ব্যতীত নদীর যেকোন জায়গায় অন্য কোন ছোট নৌযান হতে যাত্রী উঠানো বা নামানো বন্ধ নিশ্চিতকরণ ইত্যাদিসহ সকল নৌযানে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, “আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে নৌপথে পণ্য ও কোরবানীর পশু পরিবহনে নিরাপত্তায় ও ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে নৌ পুলিশ। নদীর যেকোন জায়গায় অন্য কোন ছোট নৌযান হতে লঞ্চে যাত্রী উঠানো বা নামানো বন্ধে পুলিশ কাজ করছে। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় লঞ্চ ও জাহাজে পর্যাপ্ত সিসিটিভি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ঠদের অনুরোধ করেন তিনি।