এ বিষয়ে নীল দলের শিক্ষক জিনাত হুদা জানিয়েছেন, শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে একটি স্মারকলিপি দিতে তারা (নীল দলের কয়েকজন শিক্ষক) উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু উপাচার্য অনুপস্থিত থাকার কারণে তারা স্মারকলিপি দিতে পারেননি। পরে তারা চা খেতে সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে এসে বসেন। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় একদল শিক্ষার্থী এসে তাদেরকে যেতে বাধা দেন। পরে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঘটনার পরপরই একাধিক ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের নিজের আইডি থেকেও পোস্ট করেছেন।
এতে দেখা যায়, জুবায়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ভবনের সামনের সিড়ির মুখে অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনের সাথে ধস্তাধস্তি করছেন। এসময় পেছন থেকে এক শিক্ষার্থী বলছেন, ‘আপনি যেতে পারবেন না, আপনি (জুলাই অভ্যুত্থানের সময়) শিক্ষার্থীদের ব্রাশফায়ারের কথা বলেছেন।
ধস্তাধস্তির ফলে জামাল উদ্দিনের গায়ে থাকা হুডি খুলে যায়। তিনি সিঁড়ি দিয়ে নেমে দৌড়ে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে যান। সেখান থেকে গাড়িতে উঠে শাহবাগ দিয়ে বেরিয়ে যান।
এ বিষয়ে এ বি জুবায়ের বলেন, আমরা শুনতে পেয়েছি, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। আমরা চেয়েছিলাম, তাদের ধরে থানায় সোপর্দ করতে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারা পালিয়ে গিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা ক্যাম্পাসে এসেছে। তাদেরকে শিক্ষার্থীরা বয়কট করেছে। তারা এরই মধ্যে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত। এরাই বলত, নির্বাচন ছাড়াই শেখ হাসিনার ৫ বছর রাখা হোক। জুলাইয়ে এ শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ব্রাশফায়ারের কথা বলেছেন।
জিনাত হুদা বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা প্রক্টরকে ফোন দিলেও তাকে পাইনি। আমরা এ বিষয়ে দ্রুতই উপাচার্য বরারব প্রতিবাদলিপি দিব। এদেরকে কেউ ডেকে এনেছে। আজকে যদি এভাবে শিক্ষকদের রাস্তায় মারার উদ্যোগ নেয়, এটা তো কোনো সভ্য সমাজে হতে পারে না।
এ বিষয়ে প্রক্টরের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।