বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খ্যাতিমান শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:০০ পূর্বাহ্ন

একুশে পদকজয়ী দেশের স্বনামধন্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার। অসামান্য গায়কী দিয়ে ছয় দশকের বেশী সময় ধরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বর্ষীয়ান এই শিল্পী ভালো নেই। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এই শিল্পী ।

বিগত তিন বছর ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত শিল্পী। চিকিৎসকরাও আশা ছেড়ে দিয়েছেন। পরিবারও সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইত্তেফাক অনলাইনকে শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের জীবনসঙ্গী সারোয়ার এ আলম জানিয়েছেন, জীবনের শেষ প্রান্তে পাপিয়া। আমাদের দুই মেয়ে দেশের বাইরে থাকে, তারা দেশে ফিরলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও জানান তিনি।

এই দম্পতির দুই কন্যা জারা সারোয়ার ও জিশা সারোয়ার। এরমধ্যে বড়মেয়ে জারা থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে। পড়ান সেখানকার একটি স্থানীয় কলেজে। হাসপাতালে চিকিতসাধীন সংকটাপন্ন মায়ের শারীরিক অবস্থার কথা শুনে ইতিমধ্যে তিনি বাংলাদেশে পৌঁছেছেন।

সারোয়ার এ আলম জানান, ছোট মেয়ে জিশা থাকেন কানাডায়। তিনিও মায়ের এমন অবস্থার কথা শুনে রওনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সময় বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে দশটায় ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।

শিল্পীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই জটিল রোগে ভুগছিলেন পাপিয়া সারোয়ার। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গেল বছর দিল্লিতেও নিয়ে যাওয়া হয়।

পাপিয়া সারোয়ারের জন্ম বরিশালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। পরে ১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে ভারত যান।

তার আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সানজীদা খাতুন এবং জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীতদীক্ষা নেন।

দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে রবীন্দ্রসংগীতের জন্য কোটি শ্রোতার ভালোবাসা পেয়েছেন। আধুনিক গানেও তিনি সফল। ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে আপামর বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দিয়েছে।

পাপিয়া সারোয়ার ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। ২০২১ সালে পেয়েছেন একুশে পদক।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর