স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত অবশ্যই হবে এবং তা দ্রুতই হবে।
আজ সোমবার পিলখানায় বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রমনা থানার ৫০ গজের মধ্যে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো বলেন, এ মুহূর্তে এটা আমি জানি না। এজন্য উত্তরটা আমি দিতে পারব না। আমি দেখব। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিষেধ। কিন্ত মানবিক একটা দিক রয়েছে। ওই অঞ্চলে সারাদিনই গোলাগুলি হচ্ছে। যারা আসে তাদের আবার পাঠিয়ে দেওয়া হয়। খুব একটা বেশি রোহিঙ্গা ঢুকতে পারে না। এখানে ১২ লাখ রোহিঙ্গা আছে, যা ১৩ লাখের মতো হয়ে গেছে। তবুও কিছু ঢুকছে তা আমিও অস্বীকার করি না।
এর আগে সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো। বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সীমানে্ত কোনো শিথিলতা প্রদর্শন করা যাবে না। সীমানে্ত সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নজরদারি বজায় রাখতে হবে। জাতীয় স্বার্থ বজায় রেখে চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আইন ও ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করতে হবে। বিজিবি সদস্যদের পারফরম্যান্স আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। এখন সাধারণ জনগণ বিজিবির কর্মকাণ্ডে খুশি। জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বিজিবির প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো বলেন, একটি সুশৃঙ্খল ও প্রশিক্ষিত বাহিনীর সদস্য হিসাবে তাদের চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করতে হবে। তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। তিনি আরও বলেন, আদেশের ক্ষেত্রে তা বৈধ ও আইনসঙ্গত কিনা তা বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। এ সময় বিজিবি সদস্যদের নবোদ্যমে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।