শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সাভারে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের চোখ ফাঁকি দিয়ে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম আমদানি ইরানের ডিআইজি হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাঙ্গামাটির সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে স্থানীয়রা এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ের ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট কমিশন: ইসি সচিব আখতার গাজায় আহত শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন বাংলাদেশের হামজা চৌধুরী

ডিআইজি হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ন

দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। তবে বরখাস্তের আদেশটি ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।

তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে পুলিশ অধিদপ্তর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। এমনকি জবাব দেওয়ার জন্য সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২২ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট জমা দেওয়া প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এরপর গত ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু এবারও তিনি কোনো জবাব দেননি।

বিভাগীয় মামলার নথি ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর হারুন-অর-রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হয়।

গত ১ অক্টোবর কমিশন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও পিএসসির পরামর্শ পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, পুলিশের অন্য ছয় কর্মকর্তাকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর