মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সাংবাদিকরা মাদক থেকে যখন টাকা পাচ্ছেন না তখন লিখছেন পুলিশ অকার্যকর: আইজিপি শাড়ি-কাণ্ডে বাদীকে হুমকির অভিযোগে আরেক মামলা, তানজিন তিশাকে আদালতে তলব লক্ষ্মীপুর হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা ‘বিরোধীদলে থাকতেই বসতভিটায় কবরে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবে জামায়াত?’: ডা. তাসনিম জারা বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ একযোগে ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি গাড়িতে গুলির ঘটনায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের মামলা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন ডা. শাহাদাত

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করিনি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ন

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে আমরা কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করিনি, কোনও রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় খোঁজা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রকৃত হকদারদের মধ্যে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং এনজিও সংস্থা ব্র্যাক কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্পের’ উদ্বোধন ও প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন ও পুনর্বাসনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতে সরকার, প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিও সংস্থার কাজে সমন্বয় ছিল না। কিন্তু বর্তমান সরকার এসব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে নিবিড়ভাবে কাজ করছে, তাদের উৎসহা ও সহায়তা দিচ্ছে। ফলে দুর্নীতি হ্রাসসহ কাজ দ্রুত ও সঠিক হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষে সব ক্ষেত্রে সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়া সবসময় সহজ নয়। ডেলিভারি সিস্টেমে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজ একদিকে দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও কমে যায়।

তিনি বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ে যাদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা বেশি আছে তারা এগিয়ে এলে দুর্নীতি কমার পাশাপাশি পুনর্বাসন কাজ অনেক সহজ হয়। তাই অন্য সংস্থাগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চট্টগ্রাম অঞ্চলে জুলাই মাসের আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপদ আবাসন, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, জীবিকা, কৃষি এবং শিক্ষা খাত পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে তাদের প্রাথমিক পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। প্রকল্পের আওতায় জেলার বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলা, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা এবং নগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে ব্র্যাক পুনর্বাসনের কাজ করবে। প্রকল্পের মাধ্যমে এসব এলাকার ৪০০টি পরিবারকে নতুন ল্যাট্রিন নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি টিউবওয়েল মেরামত ও পুণনির্মাণ, ৩০০টি পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পদ ও উপকরণ সহায়তা প্রদান, ২৫০টি পরিবারকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামত ও পুণনির্মানে সহায়তা প্রদান, ৬০০টি পরিবারকে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য কৃষি উপকরণ সহায়তা এবং অ্যাডাপটেশন ক্লিনিকের মাধ্যমে কারিগরি পরামর্শ সেবা প্রদান, ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় মেরামত ও পুণনির্মাণ, ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, কমিউিনিটি স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স কমিটির সদস্যদের নিয়ে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধস বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হবে। সাত মাস মেয়াদি এ প্রকল্পের ব্যয় পুরো ১০ কোটি টাকার টাকার যোগান দেবে এইচএসবিসি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর