ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল খেলেছে শারীরিক ফুটবল। দ্বিতীয় মিনিটেই জুড বেলিংহামকে ফাউল করে উত্তেজনার আভাস দেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপর পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি আর্জেন্টিনা (মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ ছাড়া)। এর আগে প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই প্রথম ৪৫ মিনিটে গোল পেয়েছিল তারা।
ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে শুরু হয় নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। শর্ট কর্নার থেকে পাওয়া বলে এনজো ফের্নান্দেসের শটে সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। এর আগে একাধিকবার গোলের চেষ্টা করেছিলেন এই মিডফিল্ডার।
নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা হয় ৯ মিনিট। সেই অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটেই মেসির অসাধারণ ক্রসে লাউতারো মার্তিনেজের হেডে জালে বল পাঠায় আর্জেন্টিনা। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।
শেষ মুহূর্তে আর কোনো গোল হয়নি। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনাল যাত্রা। ৭ মিনিটের অবিশ্বাস্য নাটকীয়তায় ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ে জায়গা করে নিল মেসির দল।