তিনি বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার একটি আধুনিক ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে কাজ করছে।’
গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সম্প্রতি পাস হওয়া বাজেটকে জীবনবান্ধব ও জনবান্ধব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন স্বাধীন বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠানও এ বাজেটকে জনকল্যাণমুখী হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। এই বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি প্রশাসন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তিনি জানান, কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মগুরুদের সম্মানী কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব সেবা একটি ইউনিভার্সাল কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বাংলাদেশকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।’
পরিবেশ সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সরকারি ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।