রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি: আটক ৪ জন রাষ্ট্রবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার জাপানের মারুবেনির বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও দ্বিতীয় কাফকো স্থাপন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় শিশু ও অন্তঃসত্ত্বাসহ নিহত ১৪ সরকারি সব অফিসের জন্য নতুন নির্দেশনা আইপিইউ সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার সৌদি বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, ঢাকার তীব্র নিন্দা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি হচ্ছে : শেখ রবিউল আলম বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাচনে গুলজার-কুদ্দুস-মনির প্যানেলের ওল্ডহামে মতবিনিময় সভা ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি স্বাক্ষর

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে শুধু অতীতের গৌরবের ধারাবাহিকতা হিসেবে নয়, বরং নতুন উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং মানবিক নেতৃত্বের এক নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

আজ শনিবার ( ১১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর চিকিৎসক জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যতই প্রযুক্তি-নির্ভর হোক না কেন, তার কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় মানুষই থাকে। চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তিই হলো মানবিকতা। অনেক সময় একজন রোগীর জন্য চিকিৎসকের একটু আশ্বস্ত করার বাক্যও ওষুধের মতো কাজ করে।’

চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আর কখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি উল্লেখ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স রোটেশনে দায়িত্ব পালনের সময় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমরা চাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হোক ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড কমপ্যাশন ফর পেশেন্টস’, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সহমর্মিতা পাবেন।’

আগামী ২০ বা ২৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আজ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছি, আমাদের কর্মক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমাদের পরিচয়ের শিকড় একই-ঢাকা মেডিকেল কলেজ। এখন সময় এসেছে শুধু স্মৃতির বন্ধনে নয়, দায়িত্বের বন্ধনেও আবদ্ধ হওয়ার।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং তার মানুষ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মেধা, মূল্যবোধ এবং তার মানুষরা।’

চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতিটি সাফল্যের নেপথ্যে একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং একটি জীবন জড়িয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর