মানবাধিকার কমিশনকে ‘দলীয়করণের’ শঙ্কা এবং বিসিবি-বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এ সময় উভয় নেতা একে অপরের প্রতি আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন।
বিলটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘সুরক্ষা ও দায়মুক্তির এই বিলে কমিশন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বোঝানো হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক প্রতিরোধ আর ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সংজ্ঞাকে কে ডিফাইন করবে? এর ভার দেওয়া হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর।
হাসনাত আব্দুল্লাহ এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। এটি জুলাই যোদ্ধাদের অঙ্গীকারনামার অংশ। গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও তাদের পেটোয়া বাহিনী জুলাই যোদ্ধাদের ওপর যে নিপীড়ন চালিয়েছে, তার বিরুদ্ধে তাদের সুরক্ষা দেওয়া জরুরি।’
ক্রিকেট বোর্ড প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে ক্রিকেট বোর্ড কীভাবে আসলো? অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ক্ষমতার প্রয়োগ করে সারা বাংলাদেশে জেলা কমিটি ও কাউন্সিলরদের প্রভাবিত করা হয়েছিল। হাইকোর্টে রিট পেন্ডিং রেখে একতরফা বডি করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার ইনকোয়ারি বোর্ড করে সেই অনিয়ম খুঁজে বের করেছে। এখন ক্রিকেট বোর্ডের আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে এদেশের বড় তারকা তামিম ইকবালকে দিয়ে। আমরা কোনো বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া করি নাই। এতদিন শুনতাম মায়ের দোয়া পরিবহন আছে, আজকে সংসদ সদস্যের কল্যাণে দেখলাম বাপের দোয়া কমিটিও আছে!’
মানবাধিকার কমিশন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকার একটি বালখিল্যপনা আইন করে দিয়ে গেছে। আমরা আইসিটি অ্যাক্ট ও গুম আইনের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শক্তিশালী ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক কারা দখল করেছিল, তা এদেশের মানুষ জানে। সেই ফ্যাসাদে আমরা যেতে চাই না।’