সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ প্রসঙ্গে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেলেন নামের পাকিস্তানের পতাকাবাহী সেই কার্গো জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচির দিকে যাচ্ছিল; কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের আগে ইরানের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়ায় ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় জাহাজটিকে আটকানো হয়।
আটকের পর জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং ক্রুদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জাহাজটি ছেড়েও দিয়েছে আইআরজিসি। তবে হরমুজ প্রণালি পেরোনোর সুযোগ আর পায়নি সেলেন। জাহাজটিকে ঘুরপথে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইআরজিসি এবং সেই নির্দেশ মেনে হরমুজ থেকে পিছু হটেছে সেলেন।
এক্সবার্তায় আইআরজিসি বলেছে, আইনি প্রোটকল না মানা এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়ার কারণে জাহাজটিকে হরমুজ প্রণলি থেকে পিছু হটার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে ইচ্ছুক প্রতিটি জাহাজকে অবশ্যই ইরানের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি জাহাজের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য।
তবে অন্যান্য দেশের থেকে পাকিস্তানের ব্যাপারটি আলাদা। কারণ, ইরান-পাকিস্তান প্রতিবেশী দেশ এবং উভয় দেশই দাবি করে যে তেহরান ও ইসলামাবাদের মধ্যে ভাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। এ কারণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যেতে চাইছেন তিনি; আর এ বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে তিনি নিয়োগ দিয়েছেন পাকিস্তানকে। পাকিস্তানও বেশ আগ্রহের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে তেহরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে।