তার বাবার ক্ষমতাচ্যুতির পর, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নির্মম ভূমিকা রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে জিনতান শহরে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়া প্রায় ছয় বছর ধরে কারাবন্দি করে রাখে।
লিবিয়ার সাবেক নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুর খবর মঙ্গলবার তার রাজনৈতিক দলের প্রধান নিশ্চিত করেছেন বলে লিবিয়ান নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।
তার আইনজীবী সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, চার সদস্যের একটি ‘কমান্ডো ইউনিট’ জিনতান শহরে তার বাসভবনে এই হত্যাকাণ্ড চালায়, যদিও হামলার পেছনে কারা ছিল তা স্পষ্ট নয়।
তবে ভিন্ন একটি বর্ণনায় তার বোন লিবিয়ান টেলিভিশনকে বলেন, তিনি আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে মারা গেছেন।
তার বাবার ক্ষমতাচ্যুতির পর, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নির্মম ভূমিকা রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে জিনতান শহরে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়া প্রায় ছয় বছর ধরে কারাবন্দি করে রাখে।
গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া বিভিন্ন মিলিশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং বর্তমানে দেশটি দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারের মধ্যে বিভক্ত।
তার বাবার শাসনামলে কোনো সরকারি পদে না থেকেও তিনি নীতি নির্ধারণে প্রভাব রাখেন এবং উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় নেতৃত্ব দেন, যার মধ্যে তার বাবার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আলোচনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এসব চুক্তির ফলে উত্তর আফ্রিকার দেশটির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং কেউ কেউ গাদ্দাফিকে পরিবর্তনশীল লিবিয়ার একজন সংস্কারপন্থী ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে দেখতেন।
সূত্র: বিবিসি