বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৯ দিন পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান: আমির হামজা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

আরমাত্র ৯ দিন পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। 

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হামজা বলেন, আমাদের আমিরে জামায়াতের ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মেয়েদের চরিত্র হননের দুরভিসন্ধি চালানো হয়েছে। আশা করছি আর ৯ দিন সময় আছে, এই ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। এটাই পৃথিবীর ইতিহাস বলে।

আমির হামজা বলেন, এর আগে যার যার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল, মিথ্যা কথা ছড়িয়েছিল যাদের নামে, আল্লাহ তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছে। যেসব ষড়যন্ত্র বিরোধী দলের লোকরা শুরু করেছে তাদেরকে বলব ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি একটা অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল বারাক ওবামার। ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হয়েছিল। এরপর জো বাইডেনের অ্যাকাউন্টও হ্যাক হয়েছিল নির্বাচনের ৭ দিন আগে। ৭ দিন পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি।

আমরা আগামীতে দেখব ইনশাআল্লাহ জামায়াতে ইসলামী আগামী রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ডা. শফিকুর রহমান মানবিক একজন যিনি সবার জন্য মায়া করে থাকেন, তার কাছে দল-মত কোনো বিভেদ নেই, বর্ণ ধর্ম নেই তার কাছে সবাই সমান। এরাম একটা মানুষ ক্ষমতায় আসলে সবাই শান্তিতে থাকতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, মেয়েরা যেন বাড়িতে বসে সম্মানজনক কাজ করতে পারে। তারা যেন নিরাপত্তার সাথে নিরাপদে কিছু টাকা আয় করে সংসারের হাল ধরতে পারে। হস্তশিল্পের কিছু কাজ আছে এগুলো আমরা শিখিয়ে আপনাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দেব। এটা আমরা বাস্তবে করিয়ে দেখিয়ে দেব। প্রত্যেকের যদি সম্মানজনক কাজ হয়, প্রতি মাসে অন্তত চলার মত যদি টাকা পাই তাহলে কেউ কি আগুনের শয়তান ধরার সুযোগ পাবে। আমরা এই ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি, এজন্য আপনাদের সাথে রাখতে চাচ্ছি।

আমির হামজা বলেন, আশা করছি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। আর এই দেশটাকে নিরাপদে রাখার জন্য আগামীতে কেউ যেন সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট না হয়ে উঠতে পারে এ রকম একটা শান্ত বাংলাদেশ তৈরি করতে হ্যাঁ ভোট দেবেন। দাঁড়িপাল্লায় তো ভোট দেওয়াই লাগছে, পাশাপাশি হ্যাঁ ভোট দেওয়া লাগবে। পাশাপাশি দুইটা ভোট থাকবে, আপনারা হ্যাঁ-তে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, চার-পাঁচটা দিন কষ্ট করেন। আল্লাহর যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমরা সামনে শান্তির সূর্য দেখতে পারব। আমাদের সময়টা যদি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের সারা জীবন আফসোস করা লাগবে। প্রশ্ন আসতেই পারে এই ভোটের জন্য আফসোস কিসের? আল্লাহর বিধান যদি আমরা কায়েম করতে না পারি মানুষের তৈরি বিধান দিয়ে কী হবে তা আপনারা দেখছেন না ৫৪ বছরে। কেউ আমরা শান্তিতে নেই।

সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে আমির হামজা বলেন, সন্ত্রাসী কাজকারবার বেশি হয় কুষ্টিয়া জেলায়। আমরা চাই সন্ত্রাসীদের মাজা ভেঙে দিতে। আমরা চাই আপনারা ঘরের দরজা খুলে ঘুমাবেন। আসলে দরজা খুলে না। দরজা খুলে ঘুমালে যেভাবে নিরাপত্তা বোধ করেন সেভাবে আপনারা নিরাপদে থাকবেন। সবাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবেন বলে আশা করছি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর