শনিবার (৩ জানুয়ারি) পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) এই মেলা উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে পূর্বনির্ধারিত ১ জানুয়ারির পরিবর্তে আজ মেলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বাণিজ্য উপদেষ্টা মেলাটিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্য বিক্রির জায়গা নয়, এটি আমাদের নতুন নতুন উদ্যোগ ও সৃজনশীলতার এক বিশাল প্রদর্শনী।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশি উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন।
রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও একটি বিশেষ খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ‘পেপার এন্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’ বা কাগজ ও মোড়কজাত পণ্যকে ২০২৬ সালের জন্য ‘বর্ষপণ্য’ (Product of the Year) হিসেবে ঘোষণা করেন। উৎপাদন ও বিপণনে উৎসাহ দিতে এই খাতকে বিশেষ সরকারি সুবিধা প্রদান করা হবে।
এবারের মেলা সাজানো হয়েছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশবান্ধব চিন্তা নিয়ে— মেলা প্রাঙ্গণে পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে।
এবার দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৪টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট মেলায় অংশ নিচ্ছে।