বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাতেও সাধারণ মানুষের নিরাপদে চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান এম এ মালিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি যমুনায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন বাবার কাছ থেকে তরুণীকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের সঙ্গে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে স্থিতিশীল সম্পর্ক চায় ভারত: প্রণয় ভার্মা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে মৈত্রী দিবস উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে মৈত্রী দিবসের ৫৪ তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা মৈত্রী দিবসকে ভারত ও বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন, যা কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি স্থিতিশীল, ইতিবাচক, গঠনমূলক, দূরদর্শী এবং পারস্পরিক উপকারী সম্পর্ক চায়, যেখানে দুই দেশের জনগণই প্রধান অংশীদার।

তিনি আস্থা প্রকাশ করেন যে, উভয়পক্ষই আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করবে, অতীতের ভাগাভাগি করা ত্যাগ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এবং ভবিষ্যতের জন্য আমাদের নতুন আকাঙ্ক্ষা দ্বারা পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। যেখানে উভয় দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শৈল্পিক সমৃদ্ধি তুলে ধরা হয়। পরিবেশনার মধ্যে ছিল থিয়েটার এবং নৃত্যের কোরিওগ্রাফি এবং সংগীত ব্যান্ড।

সুন্দরম প্রোডাকশন ‘৭১ ইন সাইলেন্স’ থিয়েটার পরিবেশন করে। সৃষ্টি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নৃত্য পরিবেশিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভারত ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানটি শেষ হয় শিরোনামহীন ব্যান্ডের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী, যুবসমাজ এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, মৈত্রী দিবস ১৯৭১ সালের সেই দিনটিকে স্মরণ করে, যখন ভারত বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের  স্বাধীনতার ১০ দিন আগে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে দিনটি , যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে আরও গতিশীল করে তুলেছিল।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর