শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

২০২৫ এর ১০ মাসে ঝটিকা মিছিল থেকে আ’লীগের ৩ হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১৫ অপরাহ্ন

 কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করার অভিযোগে চলতি বছর এখন পর্যন্ত রাজধানীতে প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

গ্রেফতারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি তালেবুর রহমান বলেন, ‘এটা গণগ্রেফতার বলা যাবে না। আমরা শুধু ঝটিকা মিছিলে অংশ নেয়া এবং তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতার করছি। যাচাই-বাছাইয়ের পর অভিযোগ প্রমাণ হলেই মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।’

তিনি জানান, ঢাকার বাইরে থেকে অনেকেই রাজধানীতে এসে মিছিলের চেষ্টা করছেন। তাদের উদ্দেশ্য ‘রাজধানীতে তাদের উপস্থিতি জানানো এবং আতঙ্ক সৃষ্টি’।

ঝটিকা মিছিলের অংশগ্রহণকারীদের আর্থিক প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, ‘বাইরের জেলা থেকে কেউ ঢাকায় আসবে, থাকা-খাওয়ার খরচসহ নির্দিষ্ট টাকা না হলে তো সে আসবে না। আমাদের কাছে তথ্য আছে—বিভিন্নভাবে আর্থিক প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। যারা অর্থায়ন করছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিভাগই বিভিন্ন ইউনিয়ন, থানা বা উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এতে পরিষ্কার, সংগঠিতভাবে তারা ঢাকায় এসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্ন করার চেষ্টা করছে।’

মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন ডিসি তালেবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেককে হাতেনাতে ককটেলসহ ধরা হয়েছে। এগুলো খুব বিপজ্জনকভাবে তৈরি। উদ্দেশ্য ছিল জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা।’

ডিসি তালেবুর রহমান বলেন, ‘২৪৪ জন এক দিনে এবং ১৩১ জনকে অন্য দিন গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাদের নজরদারির কারণেই এসব সম্ভব হয়েছে।’

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়বে—এমন মন্তব্য করে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ডিএমপি যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেয়ার সক্ষমতা রাখে।’

ঝটিকা মিছিল সমন্বয়কারীদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। রাজধানীতে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কার্যক্রম মোকাবেলায় পুলিশের কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। ঝটিকা মিছিল, বিস্ফোরণ এবং আর্থিক প্রণোদনার অভিযোগে তদন্ত চলছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর