সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের আবদার মেটাতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি ২০২৬ এর জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে: বিআরটিএ ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম নয়াদিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নেপালে বেকারত্ব নিয়ে জেন-জি’দের গণঅসন্তোষ, বালেন শাহের পদত্যাগ দাবি সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেছে আইএমএফ : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বন্যাকবলিত জেলাসমূহের স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী আসুন সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

বাংলাদেশে ৩০ লাখ কর্মক্ষম বেকারের মধ্যে ২৪ লাখই নারী: বিশ্বব্যাংক

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:০৫ অপরাহ্ন

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি গ্রোথ ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, নির্বাচনের মাধ্যমে কেটে যাবে অনিশ্চয়তা। আস্থা বাড়ার মাধ্যমে বাড়বে বিনিয়োগ ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি।

আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ঢাকা অফিসে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে ৩০ লাখ কর্মক্ষম বেকারের মধ্যে ২৪ লাখই নারী।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্য পেম জানিয়েছেন, বাংলাদেশে গত অর্থবছরের জিডিপি গ্রোথ ছিলো ৪ দশমিক ২ শতাংশ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি সাম্প্রতিক সময়ে দৃঢ়তা দেখিয়েছে। টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ভালো কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশকে সাহসী সংস্কার ও দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে রাজস্ব আয় বাড়ানো, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করা, জ্বালানি ভর্তুকি কমান, নগরায়ণ পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে।

সংস্থাটি  বলছে,‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংস্থাটি রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ও রিজার্ভ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে।

কিন্তু ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খান জানান, প্রাইভেট সেক্টরে ক্রেডিট গ্রোথ ৬.৫ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বাংলাদেশ নিয়ে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ডলারের বাজারভিত্তিক বিনিময় হার গ্রহণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল হওয়া, চলতি হিসাবের ঘাটতি হওয়া এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কথা।

পাশাপাশি কঠোর মুদ্রানীতি, প্রয়োজনীয় খাদ্য আমদানি শুল্ক কমানো এবং উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতি স্থিতিশীল হয়েছে জানিয়ে কর জিপিডি অনুপাত কম হওয়া নিয়েও কথা বলেছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর