বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চীনের ৫ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন: মাহদী আমিন

সেনা ব্যারাক থেকে ‘ব্যক্তিগত জায়গায়’ নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:০৭ অপরাহ্ন

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় ৯ দিন কাটানোর পর ব্যারাক থেকে একটি ব্যক্তিগত জায়গায় চলে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবর জানিয়েছে।

চলতি মাসে জেন-জি বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার পর অলি পদত্যাগ করেন এবং রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে শিবপুরী বনাঞ্চলের সম্ভাব্য সেনা ব্যারাকে উড়ে যান।

নেপাল সেনাবাহিনীর সূত্রের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সেনা নিরাপত্তায় ৯ দিন কাটানোর পর নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান একটি ব্যক্তিগত জায়গায় চলে গেছেন। তবে এখন থেকে তিনি কোথায় থাকবেন, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার পূর্বে ভক্তপুর জেলার গুন্ডু এলাকার একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে চলে যেতে পারেন অলি।

৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে ভক্তপুরের বালকোটে জেন-জি বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। একই সঙ্গে বালকোটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আংশিকভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন অলি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে ছিলেন।

তবে নেপাল সেনাবাহিনীর সহায়তায় অলি নিরাপদে পালিয়ে যান। সেনারা তাকে উদ্ধারের জন্য একটি হেলিকপ্টার পাঠিয়েছিল।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অলি ছাড়াও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল, প্রচণ্ড, শের বাহাদুর দেউবা, ঝালনাথ খানাল ও মাধব কুমার নেপালসহ আরও কিছু প্রবীণ রাজনৈতিক নেতাও কয়েকদিন সেনা সুরক্ষায় ছিলেন। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের হামলায় আহত শের বাহাদুর এবং আরজ্জু বর্তমানে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় অবস্থিত একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে, অলির নেতৃত্বে তার দল ১৯ সেপ্টেম্বর ললিতপুর জেলার চ্যাসালে সংবিধান দিবসে একটি পৃথক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করছে – যেখানে তাদের দলীয় কার্যালয়।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর