বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মাদক নির্মূলে শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ না বুঝে নববর্ষের গায়ে কেউ কেউ নানা মতের মুখোশ পরাতে চায় : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আজ পহেলা বৈশাখ : স্বাগত বাংলা ১৪৩৩ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর থামিয়ে বিএনপি নেতার মুক্তি দাবি ‘বাংলা নববর্ষে যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে প্রস্তুত র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স’-র‍্যাব মহাপরিচালক ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকিকে ‘অত্যন্ত হাস্যকর’ বললেন ইরানের নৌ প্রধান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে: জাতিসংঘ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমাল সরকার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধে সায় নেই যুক্তরাজ্যের: স্টারমার

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে: আলী রীয়াজ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২০ অপরাহ্ন

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে যদি একমত না হওয়া যায়, তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে, নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে জায়গায় দাঁড়াব, তাতে মৌলিক কোনো হেরফের ঘটবে না।’

শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে প্রথম আলোর কার্যালয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে আলী রীয়াজ এ কথাগুলো বলেন। ‘নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতার পথ’ শিরোনামে এ বৈঠকের আয়োজন করে প্রথম আলো।

বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমি বারবার আহ্বান করেছি। তারা যথেষ্ট পরিমাণে সাড়া দিয়েছে, কিন্তু কোনো না কোনো সময় তো প্রক্রিয়াটা শেষ করতে হবে, এটা তো অনিঃশেষ প্রক্রিয়া হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনটা করতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে কেবল অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে, তা নয়; জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। আমি তা-ই মনে করি। সেই কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রয়োজন এ জিনিসটা মোকাবিলা করা।’

আলী রীয়াজ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনটি আমরা করছি এ কারণে যে রাষ্ট্রকাঠামোর ক্ষেত্রে কতগুলো পরিবর্তন আমরা নিশ্চিত করতে চাই। সংস্কার কমিশনে কাজ করার সময় আমরা দেখেছি, গত ১৬ বছরের যে সংকট, সেটা ১৬ বছরের সংকট নয়। ১৬ বছরের সংকটের ভয়াবহতাটা আমরা দেখতে পেয়েছি; কারণ, একটা ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু কাঠামোগত দিক থেকে আমরা বিভিন্নভাবে এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি।’

আলী রীয়াজ বলেন, `এখন যদি আমরা ওই কাঠামোটা ঠিক রাখি, একেবারেই সামান্য পরিবর্তন করি, আপনি নির্বাচন করে কোথায় যাবেন? একজন বিজয়ী হবে, একটি দল ক্ষমতায় যাবে, দেশ শাসন করবে? আমরা একটা কনসলিডেটেড ডেমোক্রেসি চাই। তিন দফা (১৯৭৩, ১৯৯১ ও ২০০৯) চেষ্টা করেও যেটা আমরা পাইনি। কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে যদি একমত না হওয়া যায়, তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে, পরবর্তী সময় আরেকটা নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে জায়গায় দাঁড়াব, তাতে মৌলিক কোনো হেরফের ঘটবে না। শেখ হাসিনার ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবং এর পরপর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেটা ফ্র্যাগমেন্টেড হয়েছে। এর কারণেই পার্থক্যগুলো তৈরি হয়েছে। আমরা কী চাই, সেটা যদি স্পষ্ট হয় এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, তাহলে আমার ধারণা, এই জায়গায় আসা যাবে।’-ইত্তেফাক


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর