বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মাদক নির্মূলে শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ না বুঝে নববর্ষের গায়ে কেউ কেউ নানা মতের মুখোশ পরাতে চায় : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আজ পহেলা বৈশাখ : স্বাগত বাংলা ১৪৩৩ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর থামিয়ে বিএনপি নেতার মুক্তি দাবি ‘বাংলা নববর্ষে যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে প্রস্তুত র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স’-র‍্যাব মহাপরিচালক ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকিকে ‘অত্যন্ত হাস্যকর’ বললেন ইরানের নৌ প্রধান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে: জাতিসংঘ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমাল সরকার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধে সায় নেই যুক্তরাজ্যের: স্টারমার

কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন কারাগারে

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ( ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন কুড়িগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে গত ২৮ জুলাই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই রংপুরের পরিদর্শক রায়হানুল রাজ দুলাল চার্জশিটে সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন, তৎকালীন আরডিসি নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা এবং এসএম রাহাতুল ইসলামের বিরুদ্ধে দ-বিধির নয়টি ধারায় অভিযোগ আনেন।

সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ১৩ মার্চ গভীর রাতে কুড়িগ্রাম শহরের নিজ বাড়ি থেকে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগানকে তুলে নেয় জেলা প্রশাসনের একটি বিশেষ দল। তাকে প্রথমে ধরলা ব্রিজ এলাকায় নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে বিবস্ত্র করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা রাখার অভিযোগ দেখিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়। রাতের আঁধারে এভাবে একজন সাংবাদিককে ধরে এনে সাজা দেওয়ার ঘটনায় দেশব্যাপী তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

ঘটনার জেরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তদন্তে নামেন। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৎকালীন ডিসি সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দিন, এনডিসি রাহাতুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমাকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই বছরের ৩১ মার্চ হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটি রেকর্ড করে কুড়িগ্রাম সদর থানাপুলিশ। মামলা দায়েরের পর প্রায় পাঁচ বছর ধরে মামলার কার্যক্রম গড়িমশিতে চলছিল। আসামিদের প্রভাবশালী অবস্থান ও প্রশাসনিক পদে বহাল থাকার কারণে তদন্ত প্রক্রিয়া বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অবশেষে পিবিআইর নিরপেক্ষ তদন্তে সত্যতা প্রমাণ হলে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগান বলেন, পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে আমরা অপেক্ষা করেছি। প্রধান আসামি সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীনকে কারাগারে প্রেরণের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ হলো।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর