শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মগড়া নদীর উপর দৃশ্যমান হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ‘নেটওয়ার্ক আর্চ ব্রিজ’ দেশের দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল আজ রাতে প্রথম হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ মিরপুরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ এপ্রিল-মে মাসের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি আছে: প্রতিমন্ত্রী অমিত ইরানের সঙ্গে দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ- ট্রাম্প ‘সংসদে বিরোধীদলের কণ্ঠরোধ করায় ১১ দলীয় ঐক্যজোট রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছে’-ডা. শফিকুর রহমান

মহাসমাবেশে বক্তব্যে নারীদের বিষয়ে ‘আপত্তিকর’ শব্দচয়ন, হেফাজতে ইসলামের দুঃখপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ৬:১৪ অপরাহ্ন

গত ৩ মে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে দুই বক্তা তাদের বক্তব্যে ‘আপত্তিকর’ শব্দচয়ন করায় দুঃখপ্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 

আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সংগঠনের পক্ষে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে আজিজুল হক ইসলামাবাদী জানান, নারীদের বিষয়ে, একই সঙ্গে ইসলাম সম্পর্কেও কোনো আপত্তিকর শব্দ হেফাজত সমর্থন করে না।

আজিজুল হক আরও বলেন, আমাদের মহাসমাবেশে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুই বক্তা আপত্তিকর শব্দচয়ন করেছেন, যা আমরা সমর্থন করি না। কেউ এতে আহত হলে তাদের প্রতিও আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি।

‘একইসঙ্গে সেক্যুলার প্রগতিশীল ঘরানার যারা এতকাল আলেম-ওলামাকে বিদ্বেষমূলকভাবে “জঙ্গি”, “মৌলবাদী”, “ধর্মব্যবসায়ী” ও “সাম্প্রদায়িক” বলে কটাক্ষ করে এসেছেন, তাদেরকেও আমরা এ ধরনের আপত্তিকর শব্দচয়ন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই,’— বলেন তিনি।

হেফাজতের এ নেতা বলেন, ‘নারীর প্রতি আমাদের ঘৃণার প্রশ্নই আসে না। মতাদর্শিক লড়াইকে “নারীর প্রতি ঘৃণা” আকারে দেখা মূর্খতা। আমরা আবারও বলছি, যার যার ধর্মীয় বিধান অনুসারে নারীর ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরাও সংস্কারকাজে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী। কিন্তু শুরুতেই আলেম-ওলামা ও অন্যান্য ধর্মীয় বিশেষজ্ঞকে বাদ দিয়ে একদল এনজিওবাজ নারীবাদীকে নিয়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠন করা হলো। যার ফলে এমন একচেটিয়া প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সেক্যুলার প্রগতিশীল নারীসমাজের স্বার্থ ও মতাদর্শ রক্ষিত হলেও ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর নারীসমাজের ধর্মীয় চিন্তা ও বিবেচনা উপেক্ষিত হয়েছে। এই বৈষম্য মেনে নেয়ার সুযোগ নেই।’

এতে আরও বলা হয়, ‘উগ্র ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠী কর্তৃক আমাদের “নারীবিদ্বেষী” অপবাদ দেয়ার অপরাজনীতি বহু পুরনো। অথচ দেশজুড়ে আমাদের মহিলা কওমি মাদরাসাগুলোতে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি বরাদ্দমুক্ত এসব মাদরাসায় সমাজের হাজার হাজার প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের জন্যও বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে এ দেশের নারীদের স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে আমাদেরও উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’

‘আলেম-ওলামার সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি দেয়া হয় না’ উল্লেখ করে আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, ‘আমাদের এই সামাজিক ভূমিকা ও ধর্মীয় অবস্থান আধুনিক ব্যবস্থায় এদেশের নারীকে “পণ্য” বানানোর পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নের অন্তরায় বলেই সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী আমাদের বিরুদ্ধে একদল উগ্র নারীবাদীকে লেলিয়ে দিয়েছে বলে আমরা মনে করি। কিন্তু ধর্মীয় ইস্যুতে বাড়াবাড়ি করলে আমরা ছাড় দেবো না।’


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর