শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ : যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ১:৫৬ অপরাহ্ন

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায়  ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায়  আরশাদ (২২) নামের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি তার এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

আজ সোমবার (১৭ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়,  ২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় আসামি আরশাদ ভিকটিমকে পাশের দোকান থেকে সিগারেট ও শ্যাম্পু আনতে বলে। কথামতো ভিকটিম সিগারেট ও শ্যাম্পু আনলে আসামি তাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন আব্দুল্লাহপুর করেরগাঁও মোবারকের বাড়ির পাশে ফাঁকা ঘরে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিমকে ধর্ষণের ফলে তার যৌনাঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত এবং মারাত্মক জখম হয়ে রক্ত বের হয়। ভিকটিম বাড়িতে গিয়ে তার মাকে এ ঘটনা জানায়। পরবর্তীতে ভিকটিমকে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করা হয়।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. হামিদুল ইসলাম একই বছরের ১৬ নভেম্বর শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামির বিরুদ্ধে  চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচার চলাকালীন সময়ে ১০ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর