শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঋণ খেলাপির অভিযোগে ব্যবসায়ী সরওয়ার মোর্শেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুতের একটি বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হাসানের ৬ শিকারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট ১৯৮ রানেই রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ মার্কিন রণতরীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ৭ মার্কিন সেনা নিহত তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

চট্টগ্রামে একুশের আবৃত্তি অনুষ্ঠান মাঝপথে বন্ধ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ৭:৩৯ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি আবৃত্তি অনুষ্ঠান মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রী শহীদ মিনারের পাশে টিঅ্যান্ডটি এলাকায় এ  ঘটনা ঘটে। এ অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল চট্টগ্রাম আবৃত্তি সম্মিলন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল অনুসারেই ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে অনুষ্ঠানটি চলছিল। বেলা ১১টার দিকে সেখানে কবিতা আবৃত্তি হয়। একটি কবিতা পাঠের একর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা হলে সেখনে হট্টোগোলে সূত্রপাত হয়। পরে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) নেতা-কর্মীরা গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এ সময় এমন কবিতা পড়ার জন্য এক আবৃত্তিশিল্পীকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ওই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চলছিল। তাই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। প্রশাসন অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে।’

আয়োজকদের মধ্যে কয়েকজন জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে এক আবৃত্তিশিল্পী কবি রবিউল হুসাইনের ‘এক সেকেন্ডে মাত্র চার ফুট’ কবিতাটি পড়ছিলেন। এই কবিতার কয়েকটি লাইনে বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা, একাত্তর, ৭ই মার্চ, মাওলানা ভাসানী ইত্যাদি শব্দ ছিল। এই লাইনগুলো পড়ার পর মঞ্চের উল্টো পাশে পুলিশ প্লাজার সামনে থেকে জাসাসের নেতাকর্মীরা এসে প্রতিবাদ জানান। যিনি কবিতাটি পড়ছিলেন, তাকে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তাকে ক্ষমা চাইতেও বাধ্য করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

একজন শিল্পীকে হেনেস্তা করা বিষয়ে জানতে চাইলে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ছেলেটাকে হেনস্তা করা হয়েছে কি না, আমি দেখিনি। আমাদের পরে পুলিশ প্রশাসন অনুষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করে।’

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, ওখানে একটা অনুষ্ঠানে আবৃত্তির মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম বলেছে বলে আমাদের জানানো হয়। পরে পুলিশ ফোর্স দল সেখানে গেছে। ততক্ষণে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর