শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

আজ জেলহত্যা দিবস

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:১১ অপরাহ্ন

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ওই বছরই ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশকে হত্যা করতেই এই কালো অধ্যায়। বিশিষ্টজনরা বলছেন, ব্যক্তিকে হত্যা করা গেলেও আদর্শকে হত্যা করা যায় না। 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে। এর কিছুদিন পরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খুন হন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর জাতীয় চার নেতা।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় জীবন দিতে হয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারের পর মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এই সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এইচ এম কামারুজ্জামান।

কলঙ্কজনক এই দিনটিকে জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালন করে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ১৯৯৬ সালে জেলহত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে অবশেষে কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান এবং কার্যকর হয়।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর